তথ্যপ্রযুক্তি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
তথ্যপ্রযুক্তি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ৬ মে, ২০১৩

কম্পিউটার থেকে DLL ফাইল মিসড ???

DLL file সিস্টেম এ নেই ??  বিভিন্ন সময় এ প্রোগ্রাম রান করতে গিএ আমারা এরর মেসেজ দেখি।।






এই সমস্যা  থেকে সমাধান একটা দেবে একটা সফটওয়্যার !

এই ওয়েব থেকে ডাউনলোড করে নিন...লিঙ্কল ( http://www.dll-files.com/fixer/)
ওয়েব সাইট..

ডাউনলোড এর পর ইন্সটল করুন। সফটওয়্যার টি অটোমেটিক কম্পিউটার scan করবে ...

Result  এভাবে দেখাবে..

এবার  ERROR ফিক্স করে নেন...FIX Errors ক্লিক করুন।

মঙ্গলবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১২

ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহার করা

## ৩ মাসে ৯০০ মেগা
। ##

৩ মাসে ৯০০ মেগা
ইন্টারনেট ফ্রি ।
জিপি কে বাশঁ দেওয়ার
আরেকটা ট্রিক ।
আর দেরি নয় ।
এখনি আপনার জিপি
নাম্বার থেকে 4724
নাম্বার এ ডায়াল
করুন(ভয় নেই
কোনো টাকা কাটবে না)
ব্যাস কলটি না
কাটা পর্যন্ত
অপেক্ষা করুন ।
এবং একমাস পর
উপভোগ করুন 300
MB ডাটা।
আপনি পর পর 3 মাস
300 MB ডাটা পাবেন।
এবং সাথে পাবেন 3 মাস MISSCALL
ALERT & CALL
BLOCK SERVICE.

শুক্রবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১২

আজকেই, পেনড্রাইভের জায়গা বৃদ্ধি করে নিন।




সবাইকে সালাম ও শ্রদ্ধা জানিয়ে আমার আজকের পোস্ট শুরু করছি।

আজকের বিষয় পেনড্রাইভ।


পেনড্রাইভ আমাদের কাছে অতি পরিচিত একটি নাম। এবং বহু ব্যবহার্য একটা প্রযুক্তি মাধ্যম। আজকাল অনেকের কম্পিউটার না থাকতে পারে কিন্তু একটা পেন্ড্রাইভ তার চাইয়ি চাই।

পেনড্রাইভ মূলত, আমরা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য বিনিময় করার জন্য ব্যবহার করে থাকি। এমনকি, তথ্য বহন, সংরক্ষণ সহ অনেক কাজের কাজী এই পেনড্রাইভ। পেনড্রাইভের আর একটি জনপ্রিয় নাম হলো ডাটা ট্রাভেলার।

অনেক দিন আগে আমি একটা ২৫৬ মেগা বাইটের পেনড্রাইভ কিনেছিলাম। যা এখনো টিকে আছে, মজার ব্যাপার হলো, আপনি এখন বাজার ঘুরে ১ গিগার পেনড্রাইভ পাবেন কিনা সন্দেহ। ১ গিগা = ১০২৪ মেগাবাইট।

পেনড্রাইভ সাধারণত নষ্ট হয় না। এটা একটা মজবুত ডিভাইস। কারণ, এটি খোলার কোন ব্যবস্থা নাই। এমনকি, এতে স্থায়ী একটা মেমোরী ডিভাইস থাকে তবে, দামের হের ফেরের উপর ডিভাইসটির কোয়ালিটি নির্ভর করে।

অনেকেই বলবেন, কি বলেন ভাই, আমার পেনড্রাইভ তো হিউজ ঝামেলা করে। এই তো নষ্ট হয়ে গেলো সেদিন। আপনাদের উদ্দেশ্যে বলি, এটাতে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করার যে স্টিলনেস স্টিলের ক্যাবল পার্ট থাকে তা অতি ব্যবহারের ফলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। আর ভাইরাস তো পেনড্রাইভের জম।

বাজারে প্রায় সব পেনড্রাইভের লাইফ টাইম ওয়ারেন্টি থাকে। তাতেই, ভাববেন না যে ১০ বছর পর পেনড্রাইভ নষ্ট হলেও নতুন পেনড্রাইভ নিয়ে আসবো।
আসল ব্যাপার হলো, লাইফ টাইম জিনিসের মেয়াদ কাল আসলে ততদিন পর্যন্ত, যতদিন ওই পণ্য বাজারে থাকবে। এখন ধরেন আমার ২৫৬ মেগাবাইটের পেনড্রাইভ টা নষ্ট হয়ে গেল। আমি কি এখন ওই দোকানে গিয়ে ২৫৬ মেগাবাইটের পেনড্রাইভ পেতে পারবো? না তা সম্ভব না। তাই, মূলত এর মেয়াদকাল শেষ। এখন নষ্টটা বেচে কটকটি খাওয়া যেতে পারে।

অনেকেই ভাবছেন, শিরোনামের সাথে কথার কোন মিল খুঁজে পাচ্ছি না। আসলে, এই টিপস্‌ এত ছোট যে, তাই একটা বিশাল ভূমিকার আবর্তন করে নিলাম।

এবার আসল কথায় আসুন।

আমাদের সাধের পেনড্রাইভ আসলে fat32 বা fat ফরম্যাটে থাকে। কিন্তু, আমরা যদি তার ফরম্যাট পরিবর্তন করে ntfs করে দেই তবে তা আমাদের বিশেষ কিছু সুবিধা দিবে।

আপনি ভাবছেন, বিশেষ সুবিধা নিশ্চই জায়গা বৃদ্ধি। কিন্তু, খেয়াল করুন ব্যপারটা এমন না। আপনার জায়গা বরং একটু কম দেখাবে ntfs ফরম্যাট করার পর। তাহলে??....

এখন ধরুন, ১০০ মেগাবাইটের একটা ভিডিও গান আপনি পেনড্রাইভে ভরেছেন। এখন পেনড্রাইভ আপনার ১০০ মেগাবাইট জায়গাই দখল করে নিবে। কিন্তু, আপনি যদি ntfs ফরম্যাটে ১০০ মেগাবাইট ঢুকান, তবে তা ৭০-৮০ মেগাবাইটের সমান জায়গা দখল করবে। তাহলে আপনি আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিমান তথ্য পেনড্রাইভে ঢুকাতে সক্ষম হবে। তো হলো না, জায়গা বৃদ্ধি।

অনেকেই বলবেন যে, না কোন জায়গা বাড়ে না, কোন তথ্য কম জায়গা নেয় না। আসলে, আপনি হিসাব করে বের করতে পারবেন না। কিন্তু, সন্দেহ থাকলে একটা ছোট পরীক্ষা করে নিন।
প্রথমে fat বা fat32 থাকা কালীন পেনড্রাইভে তথ্য ভরে সম্পূর্ণ করে ফেলুন। এবার ওই পরিমান তথ্য কম্পিউটারের কোন ফোন্ডারে আলাদা করে সংরক্ষণ করুন। এবার পেনড্রাইভ কে ntfs ফরম্যাটে রুপান্তর করে নিন। এবার ওই সব তথ্য প্রবেশ করিয়ে দেখুন জায়গা খালি আছে নাকি নেই? থাকলে কতটুকু খালি আছে। নিজেই বুঝে যাবেন। আর, একটা কথা যার পেনড্রাইভের তথ্য সংরক্ষণের জায়গা যত বেশি, সে ntfs format থেকে তত বেশি সুবিধা ভোগ করবেন।

এবার, আগ্রহ থাকলে কাজটা করে নিন।

প্রথমে কম্পিউটারে পেনড্রাইভ কানেক্ট করে নিন। এবার মাই কম্পিউটার থেকে পেনড্রাইভের আইকনের উপর মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে format সিলেক্ট করুন।
নিচের চিত্র লক্ষ করে দেখুন।




এবার নতুন একটা উইনডো আসবে, এখন file system এ ক্লিক করে ntfs সিলেক্ট করে দিন এবং quick format এ টিক না থাকলে, টিক দিয়ে দিন। এবার, শুধু start এ ক্লিক করুন।

একটু পর আপনাকে ওয়্যানিং দিবে যে আপনার পেনড্রাইভের সব তথ্য মুছে যাবে। আপনি yes এ ক্লিক করে অপেক্ষা করুন। পেনড্রাইভ ntfs এ ফরম্যাট হয়ে যাবে। তবে, হ্যাঁ ফরম্যাট হয়ে গেলে একটা সিউরিটি উইন্ডো আসবে। আপনি ok করে দিন।

নিচের চিত্র একবার দেখুন।


একটা কথা মনে রাখবেন, আপনি যদি quick format সিলেক্ট না করেন, তবে কয়েক মিনিট থেকে পেনড্রাইভের জায়গা ভেদে কয়েক ঘন্টাও লাগতে পারে ফরম্যাট হতে। তাই, quick format এ টিক দেয়াই ভালো।

যদি কখনো মনে হয়, না!! রেজভী ব্যাটার বুদ্ধি ভালো না, আমার আগের অবস্থাই ভালো ছিলো। তাহলে, কি আর করা। একি কাজ, শুধু file format এ গিয়ে fat32 বা fat সিলেক্ট করে ফরম্যাট দিয়ে দিন।



বিঃ দ্র- আপনি যদি file format এ গিয়ে ntfs খুঁজে না পান, তবে জেনে রাখুন আপনার পেনড্রাইভের মধ্যে এই সুবিধা নাই, তাই যা আছে তাই নিয়েই সন্তুষ্ট থাকুন। তবে, ৯০ ভাগ পেনড্রাইভে এই সুবিধা থাকে।

=আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বরের গোপন সংকেত বা মানে জানুন!=


‎

বাংলাদেশী হিসাবে আমাদের অনেকের ই জাতীয় পরিচয় পত্র আছে। অনেকে এটাকে ভোটার আইডি কার্ড হিসাবে বলেন যেটা সম্পুর্ণ ভুল। এটা ন্যাশনাল আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয় পত্র।
আপনারা দেখবেন এটার নীচে লাল কালি দিয়ে লেখা ১৩ সংখ্যার একটা নম্বর আছে যাকে আমরা আইডি নম্বর হিসাবে জানি
কিন্তু এই ১৩ সংখ্যার মানে কি?
1. প্রথম ২ সংখ্যা – জেলা কোড। ৬৪ জেলার আলাদা আলাদা কোড আছে। ঢাকার জন্য এই কোড ২৬।
2. পরবর্তী ১ সংখ্যা – এটা আর এম ও (RMO) কোড।
• সিটি কর্পোরেশনের জন্য – ৯
• ক্যান্টনমেন্ট – ৫
• পৌরসভা – ২
• পল্লী এলাকা - ১
• পৌরসভার বাইরে শহর এলাকা – ৩
• অন্যান্য – ৪
3. পরবর্তী ২ সংখ্যা – এটা উপজেলা বা থানা কোড
4. পরবর্তী ২ সংখ্যা – এটা ইউনিয়ন (পল্লীর জন্য) বা ওয়ার্ড কোড (পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের জন্য)
5. শেষ ৬ সংখ্যা – আই ডি কার্ড করার সময় আপনি যে ফর্ম পূরণ করেছিলেন এটা সেই ফর্ম নম্বর।
বর্তমানে আবার ১৭ ডিজিট ওয়ালা আইডি কার্ড দেয়া হচ্ছে যার প্রথম ৪ ডিজিট হচ্ছে জন্মসাল!

নিজে জানুন এবং সব্বাইকে জানান!
=আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বরের গোপন সংকেত বা মানে জানুন!=

বাংলাদেশী হিসাবে আমাদের অনেকের ই জাতীয় পরিচয় পত্র আছে। অনেকে এটাকে ভোটার আইডি কার্ড হিসাবে বলেন যেটা সম্পুর্ণ ভুল। এটা ন্যাশনাল আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয় পত্র।
আপনারা দেখবেন এটার নীচে লাল কালি দিয়ে লেখা ১৩ সংখ্যার একটা নম্বর আছে যাকে আমরা আইডি নম্বর হিসাবে জানি
কিন্তু এই ১৩ সংখ্যার মানে কি?
1. প্রথম ২ সংখ্যা – জেলা কোড। ৬৪ জেলার আলাদা আলাদা কোড আছে। ঢাকার জন্য এই কোড ২৬।
2. পরবর্তী ১ সংখ্যা – এটা আর এম ও (RMO) কোড।
• সিটি কর্পোরেশনের জন্য – ৯
• ক্যান্টনমেন্ট – ৫
• পৌরসভা – ২
• পল্লী এলাকা - ১
• পৌরসভার বাইরে শহর এলাকা – ৩
• অন্যান্য – ৪
3. পরবর্তী ২ সংখ্যা – এটা উপজেলা বা থানা কোড
4. পরবর্তী ২ সংখ্যা – এটা ইউনিয়ন (পল্লীর জন্য) বা ওয়ার্ড কোড (পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের জন্য)
5. শেষ ৬ সংখ্যা – আই ডি কার্ড করার সময় আপনি যে ফর্ম পূরণ করেছিলেন এটা সেই ফর্ম নম্বর।
বর্তমানে আবার ১৭ ডিজিট ওয়ালা আইডি কার্ড দেয়া হচ্ছে যার প্রথম ৪ ডিজিট হচ্ছে জন্মসাল!

নিজে জানুন এবং সব্বাইকে জানান!

বৃহস্পতিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১২

অস্থায়ী ইমেইল ঠিকানা [এমন একটি জিনিশ যা কাজে লাগবেই]


অনেক সময় অস্থায়ী ইমেইল ঠিকানার প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে কোথাও রেজিষ্ট্রেশন বা ভোট করতে যদি ইমেইলে কনফরমেশন বা এ্যাকটিভিশন মেইলের প্রয়োজন হয়। অনেক সময় নিজের একাধিক মেইল লগইন করে এধরনের কাজ করা বেশ ঝামেলার। এছাড়াও নিরাপত্তার কারণে কিছূ সাইটে নিজের মেইল ঠিকানা ব্যবহার করা যায় না। আজ আপনাদের এমন একটি অস্থায়ী মেইল সেবাদানকারী সাইটের কথা বলবো । সাইটটিতে মেইল চেক করতে যেমন সাইন-আপ করতে হবে না তেমনই মেইল চেক করতেও লগইন করতে হবে না।

Gmail এ সেন্ড করা মেইল ফিরিয়ে আনতে চাইলে দেখুন !!!

শিরোনামটা পড়েই বুঝা যাচ্ছে এই Tips টি Send করা Mail কে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে। ব্যাপারটা সত্যি! কিন্তু মাত্র ৩০ সেকেন্ডের  জন্য। অর্থাৎ আপনি একটা সেন্ড করা মেইল কে ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে বাতিল করে দিতে পারেন। ইতোমধ্যে আপনারা ২/১ জন ভেবে বসেছেন মেইল করলে ফেরত আনার দরকার কি? চিন্তা করে দেখুন আপনি হয়ত বা ভুল ঠিকানায় মেইল send করে দিলেন। অথবা সবটা টাইপ না করেই সেন্ড করে ফেললেন। অথবা ভুল কোন লেখা সেন্ড হয়ে গেল। তখন কি করবেন? হা করে...

একটাই জিমেইল আইডি কে ব্যবহার করুন মিলিয়ন বিলিয়ন আইডি হিসেবে

পরকরুনাময় আল্লাহপাকের নামে শুরু করছি। gmail বর্তমান সময়ে সম্ভবত সব থেকে জনপ্রিয় ইমেইল সার্ভিস প্রোভাইডার । আমরা সবাই কম বেশী জিমেইল ব্যবহার করি বা করে থাকি ।জিমেইল এর অনেক ফিচার এর পাশাপাশি এর সহজ ও সাবলীল উপস্থাপনাই এনে দিয়েছে এই বিপুল জনপ্রিয়তা । আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব জিমেইল এর সহজ কিন্তু খুবই করজকরী ১ টা ট্রিক । এটা হচ্ছে আপনার একটাই জিমেইল আইডি কে আপনি কিভাবে মিলিয়ন - বিলিয়ন আইডি হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন ।
আসুন দেখে নেই কিভাবে

 ডোমেইন নাম চেঞ্জ করে
 ধরুন আমার  একটা  জিমেইল আইডি আছে এবং সেটা হচ্ছে  auntar@gmail.com . এখন আমি ফেসবুক এ একটা আইডি খুললাম এই ইমেইল আইডি টি ব্যবহার করে । আপনার কি মনে হয় আমি আবারো এক ই আইডি ব্যবহার করে আর আইডি খুলতে পারব ফেসবুক এ ? না , তাই না ? কিন্তু আসলে তা সম্ভব এই একই আইডি ব্যবহার করে । যেমন আমি যদি   auntar@gmail.com এর  জায়গায় লিখি  auntar@googlemail.com  তাহলে এটা ফেসবুক এর  সার্ভার এ দেখাবে ভিন্ন  দুইটি আইডি হিসেবে কিন্তু আসলে এটা ওই আগের আইডি এর ই মিরর !  দুইটা আইডি এর ইনবক্স কিন্তু একটাই !
+ লেজুড় জুড়ে দিয়ে
জিমেইল এর আসল আইডি  auntar@gmail.com  @ এর আগে এবং  auntar  এর পর আপনি যা ইচ্ছা টাই লেজুড় জুড়ে দিতে পারেন শুধু মাঝে একটা "+" চিহ্ন থাকতে হবে । যেমন ধরুন  auntar+bhat.khamu.na@gmail.com ,  auntar+tunerpage@gmail.com  ইত্যাদি। আপনার যত ইচ্ছা আপনি তত গুলো আইডি এভাবে বানাতে পারেন শুধু + এবং লেজুড় জুড়ে দিয়ে । সব ই কিন্তু আসল আইডি  uradhura@gmail.com মিরর হবে । অর্থাৎ এর যেকোনো টার ই ইনবক্স হবে আসল আইডি এর ইনবক্স ! ! !
(.) Dot  চিহ্ন ব্যবহার করে
আসল আইডি auntar@gmail.com এর যে কোন  জায়গায় যে কোন ভাবে ডট চিহ্ন (.)  ব্যবহার করে ও আপনি তৈরি করতে পারেন মিলিয়ন বিলিয়ন মিরর আইডি । যেমন aun.tar@gmail.com , au.nt.ar@gmail.com  , auntar.....@gmail.com এগুলর সবগুলই কিন্তু আপনার আসল আইডি এর মিরর আইডি হবে । অর্থাৎ এগুলর যেকোনো একটা তে যে কোন মেইল আসলে তা কিন্তু মূল আইডি auntar@gmail.com এর ইনবক্সেই পাওয়া যাবে । কিন্তু যেকোনো  সার্ভার এ এটাকে এক বলে চিনতে পারবে না । identical difference  এর জন্য এগুলর প্রত্যেকটাকে একটা  ভিন্ন আইডি হিসেবে গননা করবে যে কোন সার্ভার !
এই ভাবেই আপনি আপনার জিমেইল আইডি থকে কোন কষ্ট ছাড়াই  সর্বাধিক ফায়দা নিতে পারেন । আরা করি আপনাদের ভালো লেগে থাকবে টিউন টি। কাজে  লেগে থাকলে তো  কথাই নেই  ভালো থাকবেন সবাই।

মিনিটে ৪/৭ টি ইয়াহু মেইল তৈরি


অনেক সময় বিভিন্ন প্রয়োজনে অনেকগুলো নতুন ইমেইল একাউন্ট দরকার হতে পারে। সে ক্ষেত্রে একসাতে একাধিক ইমেইল তৈরী করা অনেক ঝামেলার। সেজন্য একসাথে অনেকগুলো আইডি খুলতে নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করুন।
* প্রথমে,  https://edit.yahoo.com/registration এই পেইজে গিয়ে ইয়াহুর ফুল ফর্ম টি ফিল-আপ করুন। Yahoo ID and Email এর ঘরে এমন একটি আইডি টাইপ করুন, যা available নয়। অর্থাৎ এমন একটি আইডি দিন যা আগে থেকেই আছে।
* এখন যে captcha টি পেইজের নিচের দিকে আছে , সেটা টাইপ করে Create my account a click করুন।  error আসবে।
* এখন পুনরায় captcha ঘরে নতুন captcha টি টাইপ করে Create my account a click করুন। পুনরায় উপরের মত error আসবে। এ কাজটি আবার করুন।
* এবার দেখুন  Captcha ‘র ঘরটি উধাও হয়ে গেছে।
* এবার , Yahoo ID and Email এর ঘরে নতুন একটি ইয়াহু ID দিন যা available  হবে, যেমন – kabirbbbb1, kabirbbbb2 এই ধরনের । এবার  Create my account a click ক্লিক করলেই একাউন্টটা create হয়ে যাবে এবং   confirmation আসবে।
* এবার confirmation পেইজে থেকেই browser এর Back button a ক্লিক করুন। দেখুন আবার সেই ফর্মটি এসেছে ,কিন্তু এবার সেই ফর্মেও কোন captcha নেই। এবার শুধু আইডি change করে করে captcha ছাড়ায় খুলতে থাকুন একের পর এক ইয়াহু আইডি।

Microsoft এর নতুন E-Mail সেবা ।


MICROSOFT  নিয়ে এলো নতুন E-Mail সেবা OUTLOOK  অনেকের মতে এটি এ হলো পৃথিবীর সবচেয়ে আধুনিক E-Mail  Service. Gmail  এর সাথে ইদানিং আর পেরে উঠছে না MICROSOFT এর  পুরাতন  Hotmail. তাই MICROSOFT এর এই নতুন উদ্যোগ। নতুন এই OUTLOOK একদম ঢেলে সাযিয়েছে Microsoft. নতুন এবং চমৎকার Interface,  সরাসরি Facebook, Tweeter এর সাথে Connect  থাকা যাবে Mail থেকে, এছারাও  Microsoft  এর সেই পুরাতন  slow  গতি...

নিরাপত্তা বাড়ান আর সচেতন হোন ।


যে কোনো সময় হ্যাক হয়ে যেতে পারে আপনার ফেসবুক, জি-মেইল, সহ আরো গুরুত্তপূর্ণ অনেক কিছু ! তাই নিরাপদ থাকা জরুরি । আমরা অনাক সময় ই ব্রাওজার এ পাসয়ার্ড সেভ করে রাখি।  আপনি কি জানেন যে কেউ খুব সহযেই এটি হ্যাক করে নিয়ে যেতে পারে। তাহলে উপায়? হ্যা উপায় আছে। উপায় হলো মজিলাতে মাস্টার পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা তাহলে কোন ভয় ছাড়াই পাসওয়ার্ড সেভ রাখতে পারেন।কিভাবে মাস্টার পাসওয়ার্ড দিবেন? “Tools -> Options -> Security / Passwords -> Use a master password...

বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১২

*মোবাইল টিপস*

মোবাইল ফোনের
ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী করার৭ টি উপায় ••
অনেক সময়
দেখা যায়
ব্যাটারিএর
কারণে আমাদেরঅকারনে ভোগান্তি বেড়ে যায়। আর
সে কারনে আমাদের
জেনে রাখা দরকার
কেন
ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী হয়না। তাহলে চলুন
কথা না বাড়িয়ে দেখে নেই এজন্য আমাদের করনীয় কি…
» অকারনে মোবাইল
এর ব্লুটুথ অন
করে রাখবেন না।
প্রয়োজন শেষ
হলে ব্লুটুথ অফকরে রাখুন ।
»
আমরা অনেকে কীপ্যাড
এর শব্দ
এবং ভাইব্রেশন
ব্যবহার করি যা অপ্রয়োজনে করা উচিত নয় ।
» মোবাইল এর
ডিসপ্লেতে আলো কমিয়ে রাখুন ।
» পাওয়ার সেভার
টাইমআউট এ
সর্বনিম্ন ভ্যালু ব্যবহার করুন ।
» কোন অ্যাপ্লিকেশন
এর কাজ শেষ
হলে টা বন্ধ
করে রাখাই উত্তম ।
» মোবাইল এ গেম খেলতে কম
বেশি সকলেরই বেশ
ভাললাগে কিন্তু
এতে ব্যাটারির
আয়ুস্কাল কমে যায় ।
তাই এদিকে লক্ষ্য রাখা উচিত ।
» যদি মোবাইল ফোন
নেটওয়ার্ক না পায়
তাহলে মোবাইল
টি বন্ধ করে আবার
চালু করে দেখুন তাও যদি না পায়
তবে মোবাইল
টি বন্ধ রাখুন কারণ নেটওয়ার্ক সার্চ এর
জন্য প্রচুর চার্জব্যবহ্রতহয় ।
আশা করি এভাবে চালালে আপনারব্যাটারি লাইফ
কিছুটা হলেও বৃদ্ধি পাবে। — 3G
.

software ছাড়াই মোবাইল এ ফোল্ডার হিডেন

* আপনি কি আপনার মোবাইল এ কোন software
ছাড়া ফোল্ডার হিডেন করতে চান
তাহলে নিচে দেখুন ।
* একই পদ্বতিতে folder এর look theme এর
মত করে ফেলুন , ফলে কেউ বুঝতেই
পারবে না folder না theme । .
.
.
.
•এটা মূলত কাজ
করবে নকিয়া জাবা সার্পোটেড মোবাইল গুলোতে ,
•প্রথমে আপনার মোবাইল এ ফোল্ডার
তৈরী করুন যার নাম দিন antu.jad
•এখন যে ফোল্ডার তৈরি করলেন তার
ভেতরে আপনি যে ফাইল টি হাইড করতে চান
তা move করান , •এবার আপনি আরও একটি ফোল্ডার এড করুন যার
নাম দিন antu.jar
•এখন কি হবে জানেন > ১ম ফোল্ডারটি হাইড
হয়ে যাবে ।
•তবে ২য় ফোল্ডারটি মানে antu.jar টি delet
অথবা rename দিলে ১ম ফোল্ডারটি antu.jad ফিরে আসবে ।
•একই পদ্ধতিতে যে কোন folder rename
করে .nth(example: antu.nth) দিলে folder
টি theme মত দেখাবে , যার ফলে theme
ভেবে কেউ apply করবে না।

★★বাংলাদেশের শীর্ষ ধনী★★

১ম - আবুল কাশেম -টাকার পরিমান ১.৫ বিলিয়ন ইউ এস
ডলার।

... ২য় - মুসা বিন শামসের - টাকার পরিমান ১.৫ বিলিয়ন ইউ এস
ডলার।

৩য় - শামসুদ্দিন খান - টাকার পরিমান ১ বিলিয়ন ইউ এস
ডলার।

৪র্থ - তারেক রহমান - টাকার পরিমান ১ বিলিয়ন ইউ এস
ডলার।

৫ম - সাইদ ইসকান্দার - টাকার পরিমান ১ বিলিয়ন ইউ এস
ডলার।

৬ ষ্ঠ - আহমেদ আকবর সোবহান - টাকার পরিমান ৫০০
মিলিয়ন ইউ এস ডলার।

৭ম - গিয়াসুদ্দীন আল মামুন - টাকার পরিমান ৪০০ মিলিয়ন
ইউ এস ডলার।

৮ম - শাহরীন ইসলাম তুহিন - টাকার পরিমান ৩০০ মিলিয়ন
ইউ এস ডলার।

৯ম - রাগিব আলী - টাকার পরিমান ২৫০ মিলিয়ন ইউ এস
ডলার।

১০ম - ইকবাল আহমেদ - টাকার পরিমান ২৫০ মিলিয়ন ইউ এস
ডলার

১১তম - নাজমূল হুদা - টাকার পরিমান ২৫০ মিলিয়ন ইউ এস
ডলার।

(দা ইকোনোমিষ্ট ও ফোর্বস এর প্রতিবেদনে তালিকার নাম
ও টাকার পরিমানে সামান্য এদিক-সেদিক আছে)

নিয়ে নিন একটি Payoneer Debit Master Card ফ্রী !

একটি International Debit Master Card যে কি পরিমান জরুরি তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। ডোমেইন ও হস্টিং কিনা, ফরেক্স এ ইনভেস্ট করা ও টাকা তোলা, আউটসোর্সিং এর টাকা তোলা, ফেসবুক ও গুগল এ এড দেওয়া সহ আর কত কিছু বলে শেষ করা যাবে না।
এখন আপনি ইচ্ছা করলেই নিয়ে নিতে পারেন সবচেয়ে Reliable Debit Master Card Provider Payoneer এর কাছ থেকে একটি Payoneer Debit Master Card একদম ফ্রী।
বিস্তারিত এখানে দাওয়া সম্ভব হল না একটু কস্ট করে এই সাইট টা ভিসিট করুন।
এই লিঙ্ক এ ক্লিক করুন।

 হতে ও পারে বাড়তি আয়ের পথ

আপনি কি কখনও বাড়ি থেকে কয়েক মিনিট কাজ করে টাকা উপার্জনের স্বপ্ন দেখেছেন?
আপনি কি ইন্টারনেট অথবা বাস্তবে কাজ খুঁজে ক্লান্ত? যদি তাই হয়, গ্রেট খবর আপনার জন্য অপেক্ষা করছে. আপনার স্বপ্ন সত্য হতে যাচ্ছে ।
কিভাবে?
আপনি ছোট ছোট কাজ করে টাকা উপার্জন করতে পারবেন. যা সহজ এবং শুধুমাত্র কয়েক মিনিট সময় ব্যয় হয় সম্পূর্ণ করতে. এমনকি যে কেও ইন্টারনেট সম্পর্কে প্রযুক্তিগত জ্ঞান না থাকলে ও টাকা উপার্জন করতে পারবে. আপনি আপনার প্রিয় কাজ গুলো করেই টাকা উপার্জন করবেন . যেমন-
1. ফেসবুক পাতা / পোস্ট / ছবি তে লাইক দিয়ে
2. ফেসবুকের মন্তব্য করে
3. কোন সাইট পরিদর্শন করে
4. কোন সাইটে সাইন আপ করে
5.কোন সাইটে ভোটিং দিয়ে
6. কোন প্রবন্ধ / মন্তব্য লিখে
7. একটি ভিডিও পর্যবেক্ষন করে
8. গুগল এ অনুসন্ধান করে

আর বিভিন্ন ধরনের মজার কাজ থাকবে।
কত আপনি উপার্জন করতে পারবেন:

যখন আপনি সাইটে নিবন্ধন/ সাইন আপ করবেন আপনি বোনাস সাইন আপ হিসাবে ১ ডলার পাবেন.প্রতিটি কাজ সফলভাবে সম্পূর্ণ করার জন্য প্রায় $ 0.0১ থেকে $ ১0 পর্যন্ত উপার্জন করতে পারবেন. এমনকি সাইটে আপনার বন্ধুদের আমন্ত্রণ করে ও টাকা উপার্জন করতে পারেন. যখন আপনার রেফের করা কোন বন্ধু $১০ উপার্জন করবে,তখন আপনি $0.৫0 পাবেন। এছাড়া আরও অনেক উপার্জনের পথ আছে যা আপনি ওয়েব সাইট এ প্রবেশ করে ই বুঝতে পারবেন। আপনি টাকা Bkash, Alertpay, Moneybookers মাধ্যমে পৌঁছে যাবে যখন আপনি মিনিমাম $ ১৫ উপার্জন করবেন.

সাইন আপ/ নবন্ধের জন্য কোন ফী দিতে হবে না, একদম ফ্রী।
সুতরাং কেন অপেক্ষা করছেন!
এখনই যোগদান করুন।কাজ সম্পূর্ণ করুন। আপনার বন্ধকে আমন্ত্রণ জানান!নিজের টিম তৈরি করুন।ঘরে বসে ডলার উপার্জন করুন।নিজেকে স্বাবলম্বী হিসাবে গড়ে তুলুন।
এখনী visit করুন। মনে রাখবেন একটি কম্পিউটার থেকে একাধিক একাউন্ট খুলবেন না । এমন কোন কাজ করবেন না যাতে বাংলাদেশীদের আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যায়।